এ্যাপার্টমেন্ট এর বিক্রয় চুক্তিনামা

পাতা-০১

প্লেজার নাহার মঞ্জিল এ্যাপার্টমেন্ট নং ডি-১ এর বিক্রয় চুক্তিনামা

কামরুন নাহার, পিতা- মৃত. আব্দুল মালেক, মাতা- শেফালী বেগম, স্বামী- মোশারেফ হোসেন, জন্ম তারিখ- ১৫.১২.১৯৬৬ইং, জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর -৭৩৪৪৫৮০৩৯৯, বর্তমান ঠিকানা-৮৬/৩ উত্তর মুগদাপাড়া, পোঃ বাসাবো, থানাঃ মুগদা, জেলা- ঢাকা, স্থায়ী ঠিকানা-ওয়াসেল উদ্দিন সারেং বাড়ী, গ্রাম-আমানতপুর, ডাকঘর-নাজিরপুর, থানা- বেগমগঞ্জ, জেলা-নোয়াখালী, জাতীয়তা- বাংলাদেশী, ধর্ম- ইসলাম, পেশা- ব্যবসায়ী, অতঃপর ইহাতে উল্লেখিত হইয়াছে বরাদ্দ গ্রহীতা হিসাবে যাহার প্রাসঙ্গীক বর্ণনায় উত্তরাধীকারীদের উপভোগ প্রবেশাধীকার ও অর্ন্তভূক্ত থাকবে।

———–১ম পক্ষ।

কোম্পানী এক্ট ১৯৯৪ সনের একটি নিবন্ধিত কোম্পানী প্লেজার হোমস লিঃ এর পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেওয়ান মোঃ গোলাম আজম, পিতার নাম- মরহুম দেওয়ান আবু তালেব, মাতার নাম- মোসাঃ সোনা ভান বেগম, জাতীয় পরিচয়পত্র নং- ৬৯১৬৩৮৭১৫৯১৮০, জাতীয়তা- বাংলাদেশী, ধর্ম- ইসলাম, পেশা- ব্যবসা যার ঠিকানা- ৯৮/৬, দক্ষিণ বাসাবো (স্কাইভিউ বিল্ডিং ৪র্থ তলা), ডাকঘর- বাসাবো, থানা- সবুজবাগ, ঢাকা-১২১৪ তে অবস্থিত। অতঃপর ইহাতে উল্লেখিত হইয়াছে বরাদ্দ দাতা (বিল্ডার)

———-২য় পক্ষ।

মহান আল্লাহ তাআলার নাম স্মরণ করিয়া অদ্য ২০/০১/২০১৮ইং তারিখে হাজিরান মজলিশে স্বাক্ষীগণের সম্মুখে এ্যাপার্টমেন্ট নং ডি-১ (৫ম তলা দক্ষিণ পাশ) এর বিক্রয় চুক্তিনামা দলিল লিখা আরম্ভ করিলাম। যেহেতু বরাদ্দদাতা একটি এ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিং ৪০নং মধ্য বাসাবো ঢাকাতে নির্মাণ কাজ করিতেছেন যাহার নামকরণ করা হয়েছে প্লেজার নাহার মঞ্জিল। এখন এই চুক্তিপত্র স্বাক্ষর সম্বলিত এবং উভয় পক্ষ পরষ্পর একমত হইয়া নি¤œ লিখিত বিষয়াদি ঘোষণা করেন।

চুক্তিপক্রের সংযুক্তি
তারিখ- ২০-০১-২০১৮ইং

এ্যাপার্টমেন্ট বরাদ্দের জন্য অত্র সংযুক্তি চুক্তির অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে গণ্য হবে যাদের মধ্যে।

কামরুন নাহার, পিতা- মৃত. আব্দুল মালেক, মাতা- শেফালী বেগম, স্বামী- মোশারেফ হোসেন, জন্ম তারিখ- ১৫.১২.১৯৬৬ইং, জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর -৭৩৪৪৫৮০৩৯৯, বর্তমান ঠিকানা-৮৬/৩ উত্তর মুগদাপাড়া, পোঃ বাসাবো, থানাঃ মুগদা, জেলা- ঢাকা, স্থায়ী ঠিকানা-ওয়াসেল উদ্দিন সারেং বাড়ী, গ্রাম-আমানতপুর, ডাকঘর-নাজিরপুর, থানা- বেগমগঞ্জ, জেলা-নোয়াখালী। পরবর্তীতে বরাদ্দ গ্রহীতা বলে গণ্য হবে এবং যার অর্থ দ্বারা এর স্বত্বভোগী ও স্বত্বনিয়োগ ও অর্ন্তভূক্ত হবে।

চলমান পাতা-০২

পাতা-০২

প্লেজার হোমস লিঃ কোম্পানী ১৯৯৪ এর অধীনে নিবন্ধিত একটি কোম্পানী যার অপারেশন কার্য্যালয়- ৯৮/৬ দক্ষিণ বাসাবো (স্কাইভিউ ৪র্থ তলা) মমতাজ বিল্ডিং সবুজবাগ, ঢাকা-১২১৪ বাংলাদেশে অবস্থিত। পরবর্তীতে নির্মাতা বলে গণ্য হবে যার অর্থ দ্বারা এর স্বত্বভোগী ও স্বত্বনিয়োগ গণও অর্ন্তভূক্ত হবে।

যেহেতু নির্মাতা ও বরাদ্দ গ্রহীতা পারস্পরিকভাবে সম্মত হয়েছেন এবং নি¤েœর ঘোষনা প্রদান করেছেন।

দ্বিতীয় পক্ষের তত্ত্বাবধানে ১০ (দশ) তলা বিশিষ্ট প্লেজার নাহার মঞ্জিল নামক নির্মানাধীন প্রকল্প ৪০নং মধ্য বাসাবো, সবুজবাগ, ঢাকা এর ৫ম তলায় ৪র্থ ফোর ১২৮০ (এক হাজার দুইশত আশি) বর্গফুট আয়তনের এপার্টমেন্ট প্রথম পক্ষ নি¤œ বর্ণিত শর্তে স্ব-ইচ্ছায় চূড়ান্তভাবে যাচাই বাছাই সাপেক্ষে পছন্দ করিয়া ক্রয় করিতে চাহিলে উভয় পক্ষেল সম্মতিতে এই চুক্তিপত্রে সম্পাদিত হইল।

শর্তাবলী

১। প্রতি বঃ ফুঃ ৪৪৫০ ১২৮০ = (৫৬,৯৬,০০০+৪০০০) = ৫৭,০০,০০০/-এর (২৮,৫০,০০০ + ইউটিলিটি বাবদ = ২,০০,০০০) একুনে বর্তমানে টাকা ৩০,৫০,০০০/= (ত্রিশ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা ডাউন পেমেন্ট হিসাবে প্রদান করিবেন ফ্যাট গ্রহিতা ১ম পক্ষ ২য় পক্ষ নির্মাতাকে। অবশিষ্ট ২৮,৫০,০০০/- (আটাশ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকার মধ্যে ৫০, ১৪,২৫,০০০/- (চৌদ্দ লক্ষ পঁচিশ হাজার) টাকা ২৩টি কিস্তিতে পরিশোধ করিবেন যার কিস্তির পরিমান ৬০,০০০/- (ষাট হাজার) টাকা মাত্র ও ২৪ নং কিস্তি পরিশোধ্য শেষ ৪৫,০০০/- (পয়তাল্লিশ হাজার) টাকা সর্বশেষ ১৪,২৫,০০০/- (চৌদ্দ লক্ষ পঁচিশ হাজার) ফ্যাট রেজিষ্ট্রেশনের সময় পরিশোধ করে ১ম পক্ষ রেজিষ্ট্রেশন গ্রহণ করিবেন।

২। ৫ম তলায় গ্যাস লাইন চলমান রাইজার হতে সংযোগ প্রদান করা হইবে। উল্লেখ্য গ্যাস লাইনের জন্য কোন আলাদা চার্জ প্রযোজ্য নহে।

৩। ফ্াট রেজিস্টশনের সময় উক্ত ৪০ নম্বর মধ্য বাসাবো নাহার মঞ্জিল সম্মানিত ভূমি মালিকগণ ও ফাট গ্রহিতাদের বরাবরে বুঝিয়ে দেওয়ার বিশ কার্য দিবসের পূর্বে রেজিস্টশন সম্পন্ন করতে হবে।

চলমান পাতা-০৩

পাতা-০৩

৪। উক্ত এ্যাপার্টমেন্টের সমুদয় মূল্য দ্বিতীয় পক্ষ বুঝিয়া পাইয়া ১ম পক্ষের বরাবরে সাফ কবলা দলিল করে দিবেন এতে ১ম পক্ষ সাফ কবলা দলিলের সমুদয় খরচ বহন করিবেন।

৫। ঐচ্ছিক কাজের খরচ নির্বাহ করা হবে বরাদ্দকারীর মাধ্যমে বরাদ্দ গ্রহণকারীর ঐচ্ছিক কাজের আবেদনের প্রেক্ষিতে বরাদ্দ দাতার গ্রহণ সাপেক্ষে।

৬। নির্মাতা বরাদ্দ চুক্তিপত্রে বর্ণিত দাগের জমির উপর নির্মাতার প্রস্তুতকৃত পরিকল্পনা ও নকশা মোতাবেক এ্যাপার্টমেন্ট অন্যান্য সকল সুযোগ সুবিধা সম্বলিত করে বিল্ডিং নির্মাণ করবেন (পরবর্তীতে যা প্রকল্প বলে গণ্য হবে)। বরাদ্দ গ্রহীতা নির্মাতার পরিকল্পনা ও নকশা দেখেছেন এবং গ্রহণ করেছেন।

৭। বরাদ্দ চুক্তিতে বর্ণিত এপার্টমেন্ট (পরবর্তীতে বিক্রিত এপার্টমেন্ট বলে গণ্য) বরাদ্দ গ্রহীতা বরাবর তার সম্মতিতে বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে এবং বরাদ্দগ্রহীতা সম্মত হয়েছে যে নির্মাতা উক্ত বিক্রিত এপার্টমেন্ট বরাদ্দগ্রহীতার জন্য, বরাদ্দগ্রহীতা কর্তৃক প্রদত্ত অর্থ দিয়ে, ভবনের অন্যান্য এপার্টমেন্টের সাথে ও সুযোগ সুবিধাবলী সম্বলিত করে নির্মাণ করবেন। বরাদ্দগ্রহীতা সম্মত হচ্ছেন যে, নির্মাতা অনুরূপ বরাদ্দ অন্যান্য বরাদ্দগ্রহীতাকেও প্রদান করতে পারবেন।

৮। বরাদ্দ চুক্তিপত্রে বর্ণিত বরাদ্দগ্রহীতা কর্তৃক সমুদয় অর্থ পরিশোধের তফসীল চুক্তির মূল বিষয় বলে গণ্য হবে। এ ব্যাপারে সম্মত হওয়া যাচ্ছে যে, বরাদ্দগ্রহীতা যথাসময়ে সমুদয় অর্থ পরিশোধ করবেন। বরাদ্দগ্রহীতা অর্থ পরিশোধে বিলম্ব করলে বিলম্ব করলে বিলম্ব ফি বাবদ প্রতি মাসে ০.১{e236d92c1b4457c79b3bafdc1b126f34fdd2d729f8159bd7cc26f8f2d31dc95e} হারে অর্থ বিলম্বের বিপরীতে পরিশোধ করবেন। অর্থ পরিশোধে ৩০ দিনের বেশী বিলম্ব হলে, নির্মাতা বরাদ্দ গ্রহীতার ঠিকানা বরাবর একটি নিবন্ধিত পত্র প্রেরণের মাধ্যমে অবহিত করিবেন।

৯। বরাদ্দগ্রহীতার ঠিকানা পরিবর্তিত হলে, তিনি লিখিতভাবে নির্মাতাকে অবহিত করবেন। অন্যথায় রাদ্দগ্রহীতা কর্র্তৃক ঠিকানা পরিবর্তনের বিষয়ে অবহিত না করার কারনে কোন ক্ষয়ক্ষতি হলে তা বরাদ্দগ্রহীতা নিজেই বহন করবেন। নির্মাতা বরাদ্দগ্রহীতাকে যোগ্য মনে করে এমন উপযুক্ত সেবা নির্মাতার নিকট তালিকাভূক্ত বরাদ্দ গ্রহীতার ঠিকানায় নির্মাতা কর্তৃক নিবন্ধিত ডাকের মাধ্যমে বরাদ্দগ্রহীতা বরাবর প্রেরণ করা হবে এবং বরাদ্দগ্রহীতা তা গ্রহণ করেছেন বলে গণ্য হবে।

১১। নির্মাতা বরাবর বরাদ্দগ্রহীতা কর্তৃক পরিশোধতব্য বিলম্ব ফি নির্মাতার ঘোষিত হারে প্রতি কিস্তি পরিশোধের যথাযথ তারিখ উর্ত্তীণ হওয়ার পর সয়ংক্রিয়ভাবে শুরু হবে।

১২। নির্মাতা বরাবর সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধিত না হওয়া পর্যন্ত, নির্মাতার পূর্ব লিখিত অনুমতি ব্যতিত, বরাদ্দ গ্রহীতা অত্র চুক্তির কোন অধিকার ও সুবিধাবলী কারো নিকট বিক্রয়, হস্তান্তর, মালিকানা প্রদান, বন্ধক বা কোন পন্থায় দায়বদ্ধ করতে পারবেন না।

চলমান পাতা-০৪

পাতা-০৪

১৩। নির্মাতার বিস্তারিত পরিকল্পনা এবং নকশাই চূড়ান্ত বলে গণ্য এবং নির্মাতা তার ক্ষমতাবলে তাতে যেকোন পরিবর্তন/সংশোধন করতে পারবেন। প্রকল্পের স্বার্থে নির্মাতা লে-আউট নকশা ও ফোরের আয়তনে পরিবর্তন আনতে পারবেন।

১৪। বরাদ্দগ্রহীতা নির্মাতার পরিকল্পনা, নকশা ও তালিকা ইত্যাদিতে কোন সংশোধন বা বিচ্যুতি করতে চাইলে, বরাদ্দগ্রহীতা শুধুমাত্র তার বরাবর হস্তান্তর সম্পন্ন হওয়ার পরেই করতে পারবেন এবং এর জন্য নির্মাতা কোন খরচ বহন করবেন না, যদি নির্মাতা তাতে সম্মত না হন।

১৫। নির্মাতা প্রস্তুতকৃত নকশা মোতাবেক নির্মাতার মান মোতাবেক নির্মাণকাজ ও সামগ্রী সরবারহ করবে এবং বিরুদ্ধে কোন অজুহাত গ্রহণ যোগ্য হবে না। নির্মাতার ফিনিশিং, সাজ সরঞ্জাম বা অন্যান্য সামগ্রী গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্মাতা কোন বরাদ্দ গ্রহীতাকে তার আবেদনের প্রেক্ষিতে কোন অর্থ ফেরত প্রদান করবেন না।

১৬। এপার্টমেন্টের নির্মাণকাজের খরচের মধ্যে অনুমোদিত পরিকল্পনা ও কোম্পানীর মানসম্পন্ন নকশা মোতাবেক এর সকল আনুষঙ্গিক খরচাদি, নির্র্মান সামগ্রীর মূল্যের উর্দ্ধগতি, খোদায়ী গজব, প্রাকৃতিক দূর্যোগ, হরতাল, গণবিষ্ফোরণ বা অন্য যেকোন কারন যা নির্মাতার নিয়ন্ত্রণের বাইরে, ইত্যাদির কারনে যদি প্রয়োজন হয় নির্দিষ্ট নির্মাণকাল বর্ধিত করা হবে।

১৭। এপার্টমেন্টের নির্মান কাজ খরচের মধ্যে অনুমোদিত পরিকল্পনা ও কোম্পানীর মানসম্পন্ন নকশা মোতাবেক এর সকল আনুষঙ্গিক খরচাদি, নির্মান এলাকার হারাহারি উন্নয়ন খরচ এবং অভ্যন্তরীন রাস্তা, চলাচলের পথ, ফুটপাথম ভিত্তি, কাঠামো, সিঁড়িকেস, নালা, পানি সরবরাহ লাইন, পয়ঃনিষ্কাশন লাইন, গ্যাস সরবরাহের পাইপ লাইন, ভূগর্ভস্থ পানি সংরক্ষণাগার, পানি উঠানোর পাম্প ও এপার্টমেন্ট নির্মান কাজের খরচ অন্তর্ভূক্ত আছে।

১৯। কাজের অগ্রগতি ও বাজারে সামগ্রীর সহজ প্রাপ্যতার উপর নির্ভর করতঃ বরাদ্দগ্রহীতা কর্তৃক পছন্দকৃত ঐচ্ছিক কোন কাজ নির্মাতা সম্পন্ন করে দিবেন। অনুরূপ কাজের খরচ বরাদ্দগ্রহীতা অগ্রীম পরিশোধ করবেন। একবার অনুরূপ ঐচ্ছিক কাজের আদেশ এবং তার বিপরীতে আগত অর্থ পরিশোধ করা হলে যদি নির্মাতা সম্মত হন তাহলে তার পরিবর্তন প্রত্যাহার করা যাবে। যদি নির্মাতা মনে করেন যে, পরিবেশ পরিস্থিতি পরিবর্তিত হওয়া বা এপার্টমেন্টের উন্নয়ন বা ভালোর জন্য এপার্টমেন্টের মানসম্পন্ন তালিকায় প্রদত্ত যেকোন কাজ পরিবর্তন করে ভিন্নভাবে করা প্রয়োজন, তাহলে অনুরূপ কাজের জন্য আগত অতিরিক্ত অর্থ যা নির্মাতা নিজের থেকে বহন করেছেন বরাদ্দগ্রহীতা তা পরিশোধ করে দিবেন।

চলমান পাতা-০৫

পাতা-০৫

২১। নির্মাতা যেভাবে প্রয়োজন মনে করবেন সেভাবে নীচ তলা, ভূগর্ভস্থ তলা বা অন্য কোন তলায় যেকোন সংখ্যক কার পার্কিং এর স্থান নির্ধারণ, নির্মান ও চিহ্নিত করবেন এবং বরাদ্দগ্রহীতাদের নিকট উক্ত কার পার্কিং বিক্রয়, নির্মাতা তার নিজ ক্ষমতায় সংশ্লিষ্ট বরাদ্দগ্রহীতাকে নির্বাচন করবেন। যতদিন তা এপার্টমেন্ট গ্রহীতাদের মালিকানায় হস্তান্তর করা না হবে এবং নির্মাতা কর্র্র্তৃক বরাদ্দগ্রহীতা বরাবর সকল কার পার্কিং সম্পূর্ণ না হবে ততদিন পর্যন্ত নির্মাতা কার পার্কিং এবং এটিতে যাতায়াত সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করবেন।

২২। ভবনের নির্মান কাজ, সুযোগ সুবিধা স্থাপনের কাজ চলাকালীন সময়ে অগ্নিকান্ড, দূর্ঘটনা, ভূমিকম্প, ঝড়, বন্যা, গণবিষ্ফোরণ, আকাশপথে আক্রমন বা অন্য কোন বিশৃঙ্খলা বা অন্য যেকোন কারনে যা নিয়ন্ত্রণ করা নির্মাতার সাধ্যের বাইরে ইত্যাদির কারনে ভবন ক্ষতিগ্রস্থ হলে নির্মাতা দায়ী থাকবেন না এবং এরূপ ক্ষেত্রে উভয় পক্ষ পারষ্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে যা পরিস্থিতি মোতাবেক ন্যায়সঙ্গত ও উপযোগী মনে করবে সেভাবে নিষ্পত্তি করবে।

২৩। যদি খোদায়ী গজব, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ভূমিকম্প, ঝড়, বন্যা, দূর্ভিক্ষ, শত্রুর আক্রমন, যুদ্ধ, যেকোন প্রকার সামরিক আগ্রাসন, আবদ্ধকরণ এবং অন্যান্য যেকোন কারণ যা নির্মাতার নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত ইত্যাদি কারনে যদি প্রকল্পের কাজ চালিয়ে যাওয়া ও সম্পন্ন করা সম্ভব না হয়, তাহলে নির্মাতা সে মোতাবেক বরাদ্দগ্রহীতা অবহিত করবেন এবং পারষ্পরিক সম্মতি মোতাবেক আলোচনাপূর্বক স্বিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে এবং উভয়ের স্বার্থ রক্ষার্থে শর্ত প্রদান প্রয়োজন হলে তা প্রদান করবে।

২৪। ভবন ও এপার্টমেন্ট নির্মান সম্পন্ন হয়েছে বলে মনে করা হলে এবং এপার্টমেন্ট হস্তান্তরের জন্য প্রস্তুত হলে, নির্মাতা গ্রাহক বরাবর সমাপনের বিজ্ঞপ্তি জারী করবেন।

২৫। এপার্টমেন্ট সংরক্ষণ, প্রতিরক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নির্মাতার দায়িত্ব বরাদ্দগ্রহীতা বরাবর এপার্টমেন্টের মালিকানা গ্রহণের নোটিশ প্রেরণের ১৫ (পনের) দিন পরে উর্ত্তীণ হয়ে যাবে। উক্ত মেয়াদ শেষে এপার্টমেন্ট হস্তারান্তে উক্ত সম্পত্তির সাথে সংশ্লিষ্ট বা এর কোন সামগ্রীর কোন ক্ষয়ক্ষতি, চুরি, লোকসান ইত্যাদি হলে তার জন্য নির্মাতা দায়বদ্ধ থাকবে না।

২৬। বরাদ্দগ্রহীতা বরাবর নির্মাতা কর্তৃক প্রদত্ত এপার্টমেন্টের মালিকানা গ্রহণের নোটিশ প্রেরণের পরে ১৫ (পনের) দিন উর্ত্তীণ হলে উক্ত এপার্টমেন্টের যাবতীয় দায় দায়িত্ব যা নির্মাতার উপর অর্পিত ছিল তা সম্পূর্ণরূপে উর্ত্তীণ হয়ে যাবে। বরাদ্দগ্রহীতা পক্ষ উক্ত সময়ের মধ্যে মালিকানা গ্রহণে ব্যর্থ হলে, বরাদ্দকৃত উক্ত এপার্টমেন্ট প্রহরা ও দেখাশুনার খরচ বাবদ নির্মাতাকে প্রতিদিনের বিপরীতে ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা করে পরিশোধ করবেন।

চলমান পাতা-০৬

পাতা-০৬

২৭। নির্মাতা কর্তৃক বরাদ্দগ্রহীতাকে তার বরাবর বরাদ্দকৃত এপার্টমেন্ট এর মালিকানা হস্তান্তরের সাথেসাথেই প্রত্যেক সাধারণ সুযোগ সুবিধা যেমন ইউটিলিটি সংযোগ, লিফট, জেনারেটর, পাম্প, দ্বাররক্ষী, ইন্টারকম সাধারণ বাতি ইত্যাদি এর হারাহারি দায়িত্ব ও মালিকানা গ্রহণ করতে পারবেন এবং গ্রহণ করেছেন বলে গণ্য হবে।

২৮। বরাদ্দ চুক্তি মোতাবেক প্রয়োজনীয় সমুদয় অর্থ নির্মাতা বরাবর পরিশোধ না করা পর্যন্ত কোন অবস্থাতেই এপার্টমেন্টের মালিকানা হস্তান্তর করা হবে না।

২৯। কোন বরাদ্দগ্রহীতা, চূড়ান্ত কিস্তি এবং অন্যান্য বকেয়া বিলসমূহ নির্মাতা বরাবর পরিশোধ এবং হস্তান্তর সদন লাভের পূর্বে ভবনের সাথে সংশ্লিষ্ট যেকোন সম্পত্তি বা মালামাল গ্রহণ করতে পারবে না।

৩০। যদি নির্মাতা হতে নির্মাণকাজ সমাপন পরবর্তী কোন সংশোধন প্রয়োজন হয়, তাহলে তা নির্মাতার খরচে নির্মাতার কাজের তফসীল মোতাবেক সম্পন্ন করা হবে।

৩১। যতদিন পর্যন্ত সকল এপার্টমেন্ট বিক্রয় ও বরাদ্দগ্রহীতা বরাবর হস্তান্তর সম্পন্ন না হবে ততদিন পর্যন্ত ভবনের ছাদ নির্মাতার নিয়ন্ত্রনে থাকবে। প্রকল্পের ভূসম্পত্তির আইনগত প্রকৃতির উপর নির্ভর করে এবং জমির দলিল/হস্তান্তর/বিক্রয়/নিবন্ধন ইত্যাদির যথাযথ ও উপযুক্ত পদ্ধতি মোতাবেক জমির প্রকৃত মালিক নির্মাতার পরামর্শ মোতাবেক জমি নির্মাতা বরাবর বার লিমিটেড কোম্পানী বা সমিতির নামে নিবন্ধন করে দিবে (ভবনের অংশসহ বা ব্যতিত) এবং কোম্পানী সমিতির অংশ বরাদ্দগ্রহীতার বরাবর হস্তান্তর করে দিবে। এরূপ জমির হারাহারি অংশ (ভবনসহ বা ব্যতিত) বা কোম্পানী বা সমিতির অংশ নির্মাতা কর্তৃক নির্ধারণ করা হবে।

৩২। অত্র বরাদ্দগ্রহীতা অন্যান্য সকল এপার্টমেন্টের বরাদ্দগ্রহীতার সাথে যৌথভাবে প্রকল্পের সাধারণ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ গঠন ও প্রতিষ্ঠা করবে। এভাবে গঠিত ও প্রতিষ্ঠিত সাধারণ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের উপর ভবন ব্যবস্থাপনার ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব অর্পিত হবে। ব্যবস্থা, রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবহারের সাথে সংশ্লিষ্ট যেসকল আইন, নীতিমালা, প্রবিধান সাধারণ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবেন তা সকল বরাদ্দগ্রহীতা অনুসরণ করবেন।

৩৩। বরাদ্দগ্রহীতা কর্তৃক পূর্বে বর্ণিত সংরক্ষিত তহবিলে অংশগ্রহণের জন্য এপার্টমেন্ট হন্তান্তরের পূর্বে পরিশোধ্য অর্থ অন্যান্য বরাদ্দগ্রহীতার সাথে একত্রে পরিশোধ করবে যা দ্বারা প্রকল্পের সংরক্ষিত তহবিল গঠিত হবে এবং তহবিলের জমা ও অন্যান্য উপযুক্ত বিনিয়োগের দ্বারা প্রকল্পের উক্ত সাধারণ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের খরচ ও সম্ভাব্য সাধারণ ইউটিলিটি, রক্ষণাকেক্ষণ, ভবনের সার্ভিসিং এবং বরাদ্দগ্রহীতাদের অন্যান্য সকল সাধারণ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ যেভাবে উপযুক্ত মনে করবেন সেভাবে সময়ে সময়ে বরাদ্দগ্রহীতাদের হতে অর্থ আদায়পূর্বক সংরক্ষিত তহবিল গঠন করবে, যদি এরূপ সমস্যা সমাধানের উক্ত উক্ত কর্তৃপক্ষ বরাবর সরাসরি যোগাযোগ করবে।

চলমান পাতা-০৭

পাতা-০৭

৩৪। নির্মাতা পানি, পঃনিষ্কাশন, ইলেকট্রিক, গ্যাস ইত্যাদির সংযোগ মৌলিক চাহিদার ভিত্তিতে যেভাবে উপযুক্ত মনে করেন যেভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হতে গ্রহণ পূর্বক স্থাপন করবেন। ইউটিলির স্থাপিত ক্ষমতা হতে সরবরাহ কম হলে নির্মাতা দায়বদ্ধ হবে না। নির্মাতা কর্তৃক ইউটিলিটি সংযোগ স্থাপনের পরে, যদি কোন সময় প্রয়োজন হয়, এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়বদ্ধ হবেন, এবং প্রকল্পের সাধারণ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ও বরাদ্দগ্রহীতা এরূপ সমস্যা সমাধানের উক্ত কর্তৃপক্ষ বরাবর সরাসরি যোগাযোগ করবে।

৩৫। সকল যান্ত্রিক, স্যানিটারী এবং অন্যান্য পদ্ধতি ও সামগ্রী যেমন লিফট, জেনারেটর, বৈদ্যুতিক এবং বাথরুমের সরঞ্জাম নির্মাতা কর্তৃক নির্বাচিত তালিকা মোতাবেক স্থাপন করা হবে। নির্মাতা কর্তৃক প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়েছে মর্মে ঘোষনা হতে বরাদ্দগ্রহীতার কোন অভিযোগ দেখা দিলে তা সরাসরি প্রকল্পের সাধারণ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বরাবর অবহিত করতে হবে এবং তারা সরাসরি উক্ত পণ্যের উৎপাদনকারী বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত ডিলার এর সাথে যোগাযোগ করলে এ জাতীয় কোন কিছুর বাধ্যবোধকতা নির্মাতার উপর বর্তাবে না।

৩৬। যতদিন পর্যন্ত এপার্টমেন্টের পৌর কর এবং অন্যান্য খরচাদি আলাদাভাবে নিষ্পত্তি করা না হবে ততদিন পর্যন্ত বরাদ্দগ্রহীতা অনুরূপ কর ও খরচাদির তা অংশে আগত হারাহারি অংশ যা প্রকল্পের সাধারণ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত হবে, তা পরিশোধ করবেন।

৩৭। প্রকল্প সমাপনান্তে, বরাদ্দগ্রহীতা বরাবর মালিকানা পত্র জারীর দ্বারা প্রত্যেক সাধারণ সুযোগ সুবিধা যেমন ইউটিলিটি সংযোগ, লিফট, জেনারেটর, পাম্প, রক্ষী, ইন্টারকম, সাধারণ বাতি ইত্যাদির মালিকানা হস্তান্তর শুরু হবে এবং বরাদ্দ গ্রহীতা ও প্রকল্পের সাধারণ ব্যবস্থাপনার কর্তৃপক্ষ অনুরূপ সকল সাধারণ সুযোগ সুবিধার জন্য পরবর্তী সকল দায়দায়িত্ব বরাদ্দগ্রহীতা ও সাধারণ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সরাসরি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী, ব্যবসায়ী ইত্যাদির সাথে যোগাযোগ করবে।

৩৮। এপার্টমেন্ট এর মালিকানা হস্তান্তরান্তে নির্মাতা প্রকৃত বিলের বা নির্মাতা কর্তৃক উপযুক্ত বিবেচনায় নির্ধারিত পরিমান অর্থ ইউটিলিটি ও সার্ভিস চার্জ হিসাবে ততদিন পর্যন্ত গ্রহণ করতে পারবেন যতদিন পর্যন্ত এপার্টমেন্ট প্রকল্পের সাধারণ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবং অথবা বরাদ্দগ্রহীতা বরাবর হস্তান্তর করা সম্ভব হবে না।

৩৯। অত্র বরাদ্দগ্রহীতা অন্যান্য বরাদ্দগ্রহীতার সাথে একত্রে লিফট, জেনারেটর, পানি উঠানোর মটর এবং পাম্প পানির সংরক্ষণাগার, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ লাইন এবং যন্ত্রপাতি স্থাপন, নালা,অভ্যন্তরীণ রাস্তা এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা, সেবা এবং সাধারণ সুবিধাবলী যা এপার্টমেন্ট বরাদ্দগ্রহীতাগণ কর্তৃক ব্যবহৃত হচ্ছে বা হবে তার কার্যক্রম, রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত এবং পরিবর্তনের জন্য দায়বদ্ধ থাকবে।

চলমান পাতা-০৮

পাতা-০৮

৪০। অত্র বরাদ্দগ্রহীতা ভবনের অন্যান্য এপার্টমেন্টের বরাদ্দগ্রহীতা ও বাসিন্দাদের সাথে যৌথভাবে সকল সাধারণ সুযোগ সুবিধা, করিডোর, লবি, সিঁড়ি, ভবনে প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ এবং অন্যান্য সাধারণ সুবিধা, সরঞ্জামাদি ভোগদখল করবেন এবং তাঁর সংরক্ষণের খরচ হারাহারি ভাবে পরিশোধ করবেন।

৪১। অত্র বরাদ্দগ্রহীতা এপার্টমেন্টের অন্যান্য বরাদ্দগ্রহীতা ও বাসিন্দাদের সাথে যৌথভাবে উন্মুক্ত স্থান, অভ্যন্তরীণ চলাচলের রাস্তা, গাড়ী চলার পথ, উঠান, নালা, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, পানি সংরক্ষণাগার, বিদ্যুৎ এবং গ্যাস সংযোগ এবং অন্যান্য সাধারণ সুযোগ সুবিধাসমূহ যা প্রকল্পে প্রাপ্য তা উপভোগ ও ব্যবহার করবেন এবং সেসমূহের সাধারণ নিরাপত্তা, আলোকজ্জোলকরণ এবং রক্ষার ব্যবস্থা যেভাবে প্রয়োজন হবে সেভাবে সমানহারে খরচ বহন করবেন। [ ভবনের কোন স্থানে বা সাধারণ স্থানে কোন ব্যবসায়িক সাইনবোর্ড, বিজ্ঞাপন বোর্ড বা নকশা প্রদর্শন করবেন না।

৪২। বরাদ্দগ্রহীতা বর্ণিত এপার্টমেন্ট ধ্বংম বা নষ্ট করতে পারবেন না। এবং সাধারন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত এর কাঠোমোগত কোন পরিবর্তন বা উপরে নির্মাণ জাতীয় কোন অতিরিক্ত কাজ বা পরিবর্তন কাজ বা পরিবর্তন করতে পারবেন না ।

৪৩। বরাদ্দগ্রহতা অত্র এপার্টমেন্ট এমন কোন কাজে ব্যবহার করবে না বা ব্যবহার করার অনুমতি দিবে না যাতে করে এর অবমূল্যায়ন করা হয় বা লিফট, জেনোরেটর, পাইপ, মটর এবং পাম্প এবং অন্যান সকল বরাদ্দগ্রহীতার বা বাসিন্দার সাধারন ব্যবহার অসুবিধা হয়।

৪৪। বরদ্দগ্রহীতা করিডোর বা এমন কে ান স্থানে বা এপার্টমেন্টর বরাদ্দগ্রহক বা বাসিন্দাদের সাধারণ ব্যবহার বাঁধার সৃষ্টি হয় এরূপ কোন কিছু গুদামজাত করবে না বা প্রদর্শন করবে না।

৪৫। বরাদ্দগ্রহিতা এপাার্টমেন্টে গরু, ছাগল, কুকুর বা গৃহপালিত পাখি যেমনঃ মুরগী, হাস, কবুতর ইত্যাদি রাখবে না পালন করবে না ।

৪৬। প্রকল্পের সাধারন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের পূর্ব লিখিত অনুমতি ব্যতিত বরাদ্দগ্রহিতা এপার্টমেন্ট বা ভবনের কোন স্থানে বা সাধারন কোন ব্যবসায়িক সাইনবোর্ড, বিজ্ঞাপন বোর্ড বা নকশা প্রদর্শন করবে না।

৪৭। বরাদ্দগ্রহীতা প্রকল্পের জমি ও ভবনের জন্য সকল ভাড়া, খাজনা, কর, মূল্য সংযোজন কর ও অন্যান্য খাজনাদি ও খরচাদি পরিশোধ করবেন, যা জমির মূল মালিক হতে হস্তান্তরের তারিখ হতে প্রযোজ্য হবে। যদি কোন অপরিহারযোগ্য পরিস্থিতিতে জমির মালিকের বিরুদ্ধে বকেয়া করাদির ঘটনা প্রকাশিত হয় এবং মূল মালিক তা পরিশোধ না করেন, তাহলে বরাদ্দগ্রহীতা সমুদয় বকেয়া খাজনার হারাহারি অংশ বহন করতে বাধ্য থাকবেন।

চলমান পাতা-০৯

পাতা-০৯

৪৮। বরাদ্দগ্রহীতা বাসিন্দাগণ তার এপার্টমেন্ট বা এর কোন অংশ বাসস্থান ব্যতিত অন্য কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবে না যার কারনে অন্যান্য বরাদ্দগ্রহীতার জন্য গোলযোগ বা অসুবিধা বা বিরক্তিসৃষ্টি হয় এবং তিনি তার এপার্টমেন্ট কোন অবৈধ বা অনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবে না।

৪৯। প্রকল্প চলাকালীন সময়ে বা এর উক্ত ভবনের সাথে জড়িত অন্য যেকোন ঘটনা বা বিষয় যা অত্র চুক্তির সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত এরূপ কোন কারনে উভয় পক্ষের মধ্যে মতানৈক্য, বিরোধ বা বৈপরিত্য দেখা দেয়, এরূপ ক্ষেত্রে সবকিছুই আন্তরিকতা ও পারস্পরিক আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান করা হবে এবং এক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে নির্মাতা চূড়ান্ত স্বিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে , অন্যথায় যদি নির্মাতা সম্মত হয় তাহলে তা উভয় পক্ষ কর্তৃক পরিসম্মত কোন সালিশি নিষ্পত্তিকারীর নিকট চূড়ান্ত স্বিদ্ধান্তের জন্য পেশ করা হবে, যারা উক্ত বিষয় বিবেচনা করতঃ সমাধান করবে এবং তাদের দেয়া নিষ্পত্তিই উক্ত উভয় পক্ষ মান্য করবে, অন্যথায় তিনজন সালিশনিষ্পত্তিকারী যাদের একজন করে উভয় পক্ষ হতে নিয়োজিত হবে এবং উক্ত দুইজন তৃতীয় আরেকজনকে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে নিয়োগপূর্বক সালিশ আইন মোতাবেক সালিশ কার্যের ব্যবস্থা করবে। বরাদ্দগ্রহীকা এরূপ মতানৈক্য বিরোধ ও বৈপরিত্যের ক্ষেত্রে অন্য কোন পক্ষেল নিকট গমন করবেন না।

৫০। প্রকল্পের এপার্টমেন্ট বরাদ্দগ্রহীতার বরাবরে বুঝিয়ে দেওয়া সময়সীমা সংশ্লিষ্ট ভূমি মালিকের সাথে চুক্তিপত্রের সময়সীমা এই চুক্তিপত্রের একাংশ বলিয়া গণ্য হইবে।

৫১। প্রকল্পের স্বার্থে ভবনটির আউটভিউ সম্মলীত এপার্টমেন্ট গ্রহীতাগণ কোন-ক্রমেই পরিবর্তন পরিবর্ধন করিতে পারিবেন না।

এতদ্বার্থে, নির্মাতা ও বরাদ্দ গ্রহীতা চুক্তিপত্রের অত্র সংযুক্তি উক্ত চুক্তিপত্রে বর্ণিত তারিখ, মাস ও বছরে সম্পাদন ও স্বাক্ষর করলেন।

স্বাক্ষর ……………………………………………………………………………………………………………………………..স্বাক্ষর

নির্মাতা স্বাক্ষর ………………………………………………………………………………………………………………….বরাদ্দগ্রহীতা

স্বাক্ষী:
১।……………………………………………………………………………

২।……………………………………………………………………………

৩।……………………………………………………………………………

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *